শ্রেণি কার্যক্রম

wide-slider-img03

রাজধানী আইডিয়াল কলেজ শ্রেণি কার্যক্রমকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে। এলক্ষ্যে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে প্রদেয় অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাযথ অনুসরণ করা হয়। কোর্সের পরিধি ও শিক্ষার্থীদের ধারণ ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি ক্লাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জনের দিক লক্ষ্য রেখে পাঠদান করা হয়। শ্রেণিকক্ষে একক ও দলীয় কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর শিখনফল অর্জনের দক্ষতা যাচাই করা হয়। ক্লাসেই শতকরা ৮০ ভাগ পড়া শিখিয়ে দেয়া হয়। ফলে শিক্ষার্থী বাসায় পাঠ প্রস্তুতে সমস্যায় পরে না। এরপরও ক্লাসে পুরোপুরি না বুঝলে ক্লাসের পরে পুনরায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নিকট থেকে তা বুঝে নেয়া যায়।

মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস

শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা দেয়ার জন্য মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাসের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে প্রতিটি বিষয় শিক্ষার্থীরা সহজেই বুঝতে সক্ষম হয়।
ঝগঝ
কোনো শিক্ষার্থী ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে প্রথম পিরিয়ড পরে অভিভাবককে ঝগঝ এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দেওয়া হয়। পরপর তিনদিন অনুপস্থিত থাকলে শ্রেণিশিক্ষক ফোন মারফত অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করেন।

ডায়েরির ব্যবহার


শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ডায়েরি প্রদান করা হয়। ডায়েরিতে শিক্ষার্থী প্রতিদিনের নির্ধারিত পাঠ লিপিবদ্ধ করবে এবং শিক্ষকের নিকট থেকে উপস্থিতির স্বাক্ষর নেবে। শিক্ষকগণও শিক্ষার্থীর পড়ালেখার উন্নতি-অবনতি বিষয়ে ডায়েরিতে প্রয়োজনীয় মতামত দেন। বাড়িতে অভিভাবক প্রতিদিন ডায়েরি দেখে স্বাক্ষর করবেন। ফলে অভিভাবক শিক্ষার্থীর ঈষধংং চবৎভড়ৎসধহপব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন।
বাড়ির কাজ (ঐড)/অংংরমহসবহঃ

বাড়ির কাজ (SMS)/Assignment:


ক্লাসে পড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশের লক্ষ্যে নির্ধারিত ঞড়ঢ়রপং এর উপর বাড়ির কাজ (ঐড)/অংংরমহসবহঃ দেয়া হয়। যা সম্পন্ন করে পরবর্তী কার্যদিবসে বিষয়শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হয়। বিষয়শিক্ষক সেগুলো ভালোভাবে দেখে ত্র“টি বিচ্যুতি সংশোধন করে দেন। ফলে উক্ত বিষয়ে কোনো অস্পষ্টতা থাকলে তা শিক্ষার্থীর নিকট স্পষ্ট হয়ে যায়।