পরীক্ষা পদ্ধতি

20150502_103639

রাজধানী আইডিয়াল কলেজে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষাই অত্যন্ত কঠোর শৃঙ্খলায় অনুষ্ঠিত হয়।

  • শ্রেণি পরীক্ষা (CT)
  • মাসিক পরীক্ষা (MT)
  • সেমিস্টার পরীক্ষা

শ্রেণি পরীক্ষা (CT) :

প্রত্যেক সপ্তাহে অন্ততঃ দু’টি বিষয়ে শ্রেণি পরীক্ষা নেয়া হয়। এভাবে প্রতিমাসে প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে দু’টি করে শ্রেণি পরীক্ষা নেয়া হয়। শ্রেণি পরীক্ষার মোট নম্বর ১০ এবং পাস নম্বর ৪। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষক দিক নির্দেশনা দেন। শ্রেণি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর সেমিস্টার পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করা হয়।

মাসিক পরীক্ষা (MT) :

প্রতি সেমিস্টারে প্রত্যেক বিষয়ে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যা পড়ানো হয় তার উপর মধ্যবর্তী সময়ে প্রতি বিষয়ে ৩০ নম্বরের মাসিক পরীক্ষা নেয়া হয়। গঞ র পাস নম্বর ১১। শ্রেণি পরীক্ষার ন্যায় মাসিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরও সেমিস্টার পরীক্ষার নম্বরের সাথে যোগ করা হয়।

সেমিস্টার পরীক্ষা :

প্রতি সেমিস্টারে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যা পড়ানো হয় তার উপর পূর্ণ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষার পাস নম্বর শতকরা ৩৬। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক আছে সেসব বিষয়ে তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে শতকরা ৩৬ নম্বর পেয়ে পাস করতে হবে।

নির্বাচনি পরীক্ষা :

দ্বিতীয় বর্ষে পঞ্চম সেমিস্টারটি হবে নির্বাচনি পরীক্ষা। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের উপর সম্পূর্ণ সিলেবাস থেকে বোর্ড পরীক্ষার অনুরূপ প্রশ্নের আলোকে নির্বাচনি পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষায়ও শিক্ষার্থীকে প্রতি বিষয়ে শতকরা ৩৬ নম্বর পেয়ে পাস করে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

কোচিং ক্লাস :

নির্বাচনি পরীক্ষার পর কোচিং ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর রিভিশন ক্লাস নেয়া হয়। এ ক্লাসে শিক্ষার্থীকে সর্বাধিক সহায়তা এবং বিভিন্ন বিষয়ের ঞবংঃ চধঢ়বৎ ঝড়ষাব করানো হয়। যা শিক্ষার্থীকে ভালো ফলাফলে সাহায্য করে।

মডেল টেস্ট :

বোর্ড পরীক্ষার পূর্বে শিক্ষার্থীর সর্বশেষ মূল্যায়ন পরীক্ষা হলো মডেল টেস্ট। এ পরীক্ষাগুলো বোর্ড পরীক্ষার অনুরূপ হয়। এর ফলাফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বোর্ড পরীক্ষা পূর্ববর্তী সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় এবং কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থীর প্রস্তুতি কম হলে সে বিষয়ে পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে রেখে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হয়।